নব্বই দশকের শুরুতে ‘লোভ দেখালেও জুঁই-চন্দন’ কাব্যগ্রন্থ প্রকাশের মধ্য দিয়ে কবি সাবিনা ইয়াসমিনের আনুষ্ঠানিকভাবে সাহিত্যজগতে প্রবেশ। যদিও লেখালেখির শুরু আরও আগে। নম্র-স্বভাবের কবি সাবিনা ইয়াসমিন। কবিতার শব্দাবলিও তাই অত্যন্ত কোমল, সুনির্বাচিত এবং শ্রুতিমধুর। তাঁর কবিতায় দেখা যায় কখনো কখনো এক একটি প্রতীকই হয়ে উঠেছে এক একটি নিটোল কবিতা। এ কবির কবিতা পাঠকের চোখের সামনে নতুন নতুন দৃশ্যকল্প তৈরী করে, যা তাঁর কবিতাকে সততই স্বতন্ত্র করে তোলে।তবে শহিদ কন্যা সাবিনার শ্রাবণ ভরা বুকের ভেতর আগুনও আছে। তাঁর কবিতার পঙ্ক্তিতে তাই মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ঝলসে ওঠা শব্দের অনায়াস প্রয়াস লক্ষ করা যায়। মুক্তিযুদ্ধ বাঙালি জাতির মহত্তম অর্জন। মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনায় লেখালেখি করে যাচ্ছেন কবি ও কথাসাহিত্যিক সাবিনা ইয়াসমিন। ধমনীতে শহিদ পিতার রক্ত ও বুকে পিতার রেখে যাওয়া স্বপ্নকে ধারণ করে নিরন্তর লিখে যাচ্ছেন তিনি। লাল টগরের মতো নির্মল ও দীপ্তিমান সাবিনার কলম। বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের একজন মেধাবী কর্মকর্তা তিনি। লেখালেখি মূলত: তাঁর সাধনা।এই নিমগ্ন কবির প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থসমূহ থেকে বাছাই করে দু’শত কবিতার সমন্বয়ে এবারে প্রকাশ করা হলো নির্বাচিত ১০০ কবিতা-১ ও নির্বাচিত ১০০ কবিতা-২। নির্বাচিত কবিতাগুলি পাঠক মহলে সমাদৃত হোক, এই প্রত্যাশা আমাদের।







Reviews
There are no reviews yet.