ডাক্তার খালেকুজ্জামান আশা করেছিলেন আসিফের ব্রেইনে অপারেশনের পর ঘটনার পরিবর্তন হবে। সেখানে আর্টিফিসিয়াল মেমোরি সেল লাগানো হয়েছে। তাতে তিনি এষার প্রতি প্রবল দায়িত্বশীল হওয়ার মতো আচরণ জুড়ে দিয়েছেন।
এষার সঙ্গে কথা বলার সময় আসিফের হিপোক্যাম্পাসের প্লেস সেলে উত্তেজনা তৈরি হয়। সেখান থেকে ইলেকট্রোড দিয়ে কম্পিউটার মনিটরে ব্রেইন যে সিগন্যাল পাঠাচ্ছে তা চারকোনা বাক্সের মতো বর্গাকার প্যাটার্ন। সেই প্যাটার্ন হওয়ার কথা ঢেউখেলানো বৃত্তাকার।
ডাক্তার খালেকুজ্জামান স্থিরভাবে বুঝতে পেরেছেন কৃত্রিমভাবে মানুষের ব্রেইনে কিছু স্মৃতি বা অভিজ্ঞতা স্থাপন করা যায়, ভালোবাসা নয়।







Reviews
There are no reviews yet.